ক্যাম্পাসলীড-6

বিএসএমএমইউ’র ২৬৩ শিক্ষার্থীকে গবেষণার অনুদান প্রদান

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের এমডি, এমএস, এমপিএইচ কোর্সে মনোনীত রেসিডেন্ট ও ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে ২৬৩ জনকে গবেষণার জন্য থিথিস গ্রান্ট প্রদান করা হয়েছে। শনিবার সকালে শহীদ ডা. মিলন হলে আয়োজিত থিথিস গ্রান্ট প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া। এসময় তিনি বলেন, রোগীদের কল্যাণ ও প্রকৃত জ্ঞান অজর্ণের জন্য গবেষণা করতে হবে সততা, আন্তরিকতা ও যথাযথভাবে। বহির্বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে বিশ্বমানের জার্নালে গবেষণা কর্মটি প্রকাশের সবগুলো ধাপ ও প্রক্রিয়া সুন্দরভাবে শিখতে হবে ও জানতে হবে। গবেষণার কাজটিও সুন্দরভাবে সম্পন্ন করতে হবে। গবেষণা কর্মটি হতে হবে ইনডেপথ ও বিশ্বাসযোগ্য। যা রোগী ও মানুষের কল্যাণে যেমন কাজে লাগবে তেমন-ই নিজের জ্ঞানভান্ডারকেও সমৃদ্ধ করবে। ছাত্র যদি সত্যিাকার অর্থেই কিছু না শিখে যায় তবে শিক্ষক-এর কষ্ট লাগে।

থিথিস গ্রান্ট প্রদান অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপ-উপাচার্য (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মোঃ শহীদুল্লাহ সিকদার। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ডা. সাহানা আখতার রহমান, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মুহাম্মদ রফিকুল আলম, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আতিকুর রহমান। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ডা. এ বি এম আব্দুল হান্নান। অনুষ্ঠানে ডীনবৃন্দ, কোর্স ডাইরেক্টরগণ, বিভাগীয় চেয়ারম্যাণগণ, রেসিডেন্ট ও ছাত্রছাত্রীদের গ্রান্ট প্রদান সংক্রান্ত কমিটির সদস্যগণ এবং মনোনীত রেসিডেন্ট ও ছাত্রছাত্রীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা ফান্ড থেকে এই থিসিস গ্রান্ট প্রদান করা হয়।

উল্লেখ্য, বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন অনুষদের ৬২ জন, সর্জারি অনুষদের ৯২ জন, শিশু অনুষদের ২৭, বেসিক সায়েন্স ও প্যারা ক্লিনিক্যাল সায়েন্স অনুষদের ৪৬ জন, প্রিভেনটিভ এন্ড সোস্যাল মেডিসিন অনুষদের ১৪ জন এবং ডেন্টাল অনুষদের ২২ জনসহ ৬টি অনুষদের মোট ২৬৩ জন মনোনীত রেসিডেন্ট ও ছাত্রছাত্রীদের এই থিসিস গ্রান্ট প্রদান করা হয়।

সভাপতির বক্তব্যে সম্মানিত উপ-উপাচার্য (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মোঃ শহীদুল্লাহ সিকদার বলেন, একটা সময়ে গবেষণা বা থিসিস গ্রান্টোর কোনো অর্থ বরাদ্দ ছিল না। এখন দিন বদল হয়েছে। বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ সকল ক্ষেত্রেই এগিয়ে গেছে। গবেষণার বাজেট এনে তা ভাগ করে নিলেই হবে না। সত্যিকার অর্থেই রোগী ও মানুষের কল্যাণে প্রয়োজন এমন ইনোভেটিভ গবেষণা সুন্দরভাবে সম্পন্ন করতে হবে।