টিপসফিচারশিক্ষা কথা

করোনাকালে তরুণরা যেভাবে ক্যারিয়ার ডেভেলোপমেন্ট করতে পারেন

ড. মোহাম্মদ সরোয়ার হোসেন :

করোনার কারণে অর্থনৈতিক মন্দা শুরু হয়েছে বিশ্বব্যাপী। আগামী ২-৩ বছর এই অবস্থা বিরাজ করতে পারে। সামনের সময়গুলোতে এর তাপ ভালভাবে বুঝা যাবে। নতুন জব এবং দেশের বাইরে স্কলারশীপের স্কোপ আশংকাজনকভাবে অনেক কমে যাবে। এই অবস্থায় করনীয় কি? কারা এগিয়ে থাকবে?

করোনার সময়গুলোতে যারা স্কিল ডেভেলোপমেন্ট-এ ফোকাস করছে তারা তাদের সহপাঠীদের চেয়ে এগিয়ে যাবে। কেউ কেউ করোনার ঝুঁকি নিয়েও স্বেচ্ছাসবক হিসেবে টেস্টিং ল্যাবে কাজ করছে। তাঁরা একসময় এই ডেডিকেশনের মর্যাদা পাবেন।

যারা ভবিষ্যতে রিসার্চার হিসেবে কেরিয়ার গড়তে আগ্রহী তাদের জন্য করোনা সুবর্ন সুযোগ এনে দিয়েছে। এই সময়টাতে রিসার্চ কিভাবে করতে হয়, ম্যানুস্ক্রিপ্ট কিভাবে লিখতে তা শেখার জন্য ভাল প্রেক্ষাপট। অনলাইনে রিসার্চের উপর বিভিন্ন কোর্স করা যেতে পারে। তবে প্রতিষ্ঠিত রিসার্চারের সুপাভিশনে কোন প্রজেক্টে জড়িত হয়ে রিসার্চে হাতেখড়ি করতে পারলে রিসার্চের গুরুত্ব এবং টেকনিক অনুধাবন করা সহজ হয়। Supervised learning/training এর বিকল্প নেই।

রিসার্চ করতে প্লাটফর্ম প্রয়োজন। কোন প্রজেক্ট করতে বিভিন্ন ধরনের সাপোর্ট প্রয়োজন যা কোন প্রতিষ্ঠিত প্লাটফর্ম প্রোভাইড করতে পারে। কেউ যে কাজ করেছে তার জন্যও প্রতিষ্ঠানিক রিকমেন্ড/সার্টিফিকেশন লাগে।

এই করোনাকালীন সময় ৫ জন ইয়াং রিসার্চারকে প্রাতিষ্ঠানিক সাপোর্ট দিচ্ছে যারা সিনিয়রদের সুপারভিশনে রিসার্চে জড়িত হয়েছে। এরা সবাই পরীক্ষিত, বিভিন্ন প্রজেক্টে ভলাটিয়ার হিসেবে কাজ করে তাদের একাগ্রতা এবং ধৈর্য্যের পরীক্ষা দিয়েছে।

আগ্রহ এবং মোটিভেশনের কারনে কয়েকজনকে আমরা ইন্ডিপেন্ডেন্ট রিসার্চার হিসেবে গড়ে তুলতে সহয়তা করছি। একজন ইয়াং রিসার্চার ইতিমধ্যে দুটি ম্যানুস্ক্রিপ্ট-এ লিডার অথার হিসেবে প্রস্তুত করেছে এবং আরেকটি নিয়ে কাজ শুরু করেছে।

কারোর প্রচন্ড আগ্রহ এবং লেগে থাকার মানসিকতা থাকলে তাকে সাহায্য করতে অনেকে এগিয়ে আসে। এর জন্য আগে নিজেকে প্রমাণ করতে হয়।

লেখক : নির্বাহী পরিচালক, বায়োমেডিকেল রিসার্চ ফাউন্ডেশন (বিআরএফ)
সহযোগী অধ্যাপক, ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ (আইইউবি)