অভিমতলীড

আর কতো সমঝোতা?

যখনই স্বাস্থ্য ক্যাডারের সবাই একটা পরিবর্তনের আশায় কোন আন্দোলনে নামে, আন্দোলন গুছিয়ে উঠে যখন সফলতা দেখার সম্ভাবনা জাগে- তখনি সমঝোতা করার জন্য হাজির হয়ে যায় অনেকেই। বগুড়া মেডিকেল কলেজের ইন্টার্ন আন্দোলন থেকে শুরু করে পরবর্তী প্রতিটি আন্দোলনের সময়ই মাঝপথে বা বিজয়ের প্রায় দ্বারপ্রান্তে এসে সমঝোতা করতে বাধ্য করা হয়েছে। তাতে করে প্রতিবারই আমরা সমঝোতার নামে হেরে গেছি, পিছিয়ে পরেছি বারবার।

আর কতো সমঝোতা?

আন্দোলন তো সরকারের বিরুদ্ধে নয়, আন্দোলন তো কোন পেশার বিরুদ্ধে নয়। আন্দোলন অন্যায়ের বিরুদ্ধে, আন্দোলন পেশীশক্তির বিরুদ্ধে, আন্দোলন ঘুনে ধরা সিস্টেমের বিরুদ্ধে। আন্দোলন যৌক্তিক, আর কত পরে পরে মার খাবো আমরা? কখনো রোগীর লোকজন পেটাবে আমাদের, কখনো রোগীর লোকজন টিজ করবে আমাদের নারী সহকর্মীদের, কখনো পুলিশ রাস্তায় পেটাবে আমাদের ছোট ভাইবোনদের, কখনো পুলিশ অন্যায়ভাবে হাতে হাতকড়া পরিয়ে গ্রেফতার করে নিয়ে যাবে- কোন আইনের তোয়াক্কা না করেই, চাকরিবিধির তোয়াক্কা না করেই।

মাইর খেতে খেতে, অন্যায় সহ্য করতে করতে আমাদের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে, আর সমঝোতা নয়। এইবার উঠে দাঁড়াই আমরা সবাই, হাতে হাত মিলিয়ে, কাঁধে কাধ মিলিয়ে, সকল অন্যায়ের প্রতিবাদ করি। আমরা যদি সবাই এক হই- আর কখনো কোন হায়েনা আমাদের উপর তাদের বিষদাঁত বসানোর সাহস করবেনা।